ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ প্রতিনিধি,মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ || ফাল্গুন ১১ ১৪৩২ || ৬ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :
সৌদি আরবে ওমরাহ শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের শিশু ফাইজা আক্তার (১০) গ্রামের বাড়িতে ফিরেছে। বাবা-মা ও দুই বোনকে ছাড়াই বাড়িতে আসতে হয়েছে তাকে। সে এখনো জানে না, দুর্ঘটনায় তার পরিবারের অন্য চার সদস্যের কেউ বেঁচে নেই। সে জানে, তারা সবাই বাড়িতে ফিরবে, একসঙ্গে ঈদ করবে।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
মিজানুর রহমান মিজান (৪০) সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে বাড়ি থেকে সৌদি আরবে ওমরাহ করতে যান। ওমরাহ শেষে ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার দিকে জেদ্দা থেকে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মিজান, তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), স্কুল পড়ুয়া মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী মেয়ে সুবহা আক্তার মারা যান। ওই দুর্ঘটনা গাড়ির চালক মো. জিলানী বাবর (৩০) মারা যান। দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হলেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় ফাইজাসহ দুইজন।
পরিবারের লোকজনকে ফাইজা জানিয়েছে, তার বাবা-মা এবং দুই বোন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। তারা ফিরলে নতুন জামা পড়ে বাবার সঙ্গে সে ঈদের মেলায় যাবে। সঙ্গে তার দুই বোনও থাকবে। ঈদে তারা অনেক আনন্দ করবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে ফাইজাকে নিয়ে তার মামা তানভীর হোসেন দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে তারা রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের বাড়িতে আসেন।
ফাইজা রামগঞ্জ ভাটরা ইউনিয়নের টিউরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যারয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পাঁচদিন সে জেদ্দা শহরের কিংস ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। চিকিৎসা শেষে মাম তানভীর হোসেনের সঙ্গে সে বাড়িতে ফিরেছে।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

তানভীর হোসেন বলেন, “ফাইজা এখনো জানে না তার মা-বাবা ও দুইবোন মারা গেছে। সে জানে, তার মা-বাবা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। তার সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরবে। সবার সঙ্গে সে ঈদ করবে। তাদের মরদেহ এখনো জেদ্দা হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মরদেহ আনার প্রক্রিয়া চলছে।”

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ফাইজা আক্তার। ওই ঘটনায় তার মা-বাবা ও দুই বোন মারা গেছেন।


