চমকানো তথ্য দিলেন মো. সাহাবুদ্দিন দেড় বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন রাষ্ট্রপতি, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

SHARE

ছবি: সংগৃহীত

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,সবার দেশ পত্রিকার সৌজন্যে, সোমবার   ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১০ ১৪৩২ || ৫ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, গত দেড় বছর তিনি নানা চাপ ও ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অপসারণের চেষ্টা করা হয়েছিলো এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা নষ্ট করার পরিকল্পনাও ছিলো বলে তিনি দাবি করেন।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে কাটানো সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, বিভিন্ন মহল থেকে তাকে অপসারণের চেষ্টা হয়েছে। তবে তিনি দৃঢ়ভাবে দায়িত্বে থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং কোনও অসাংবিধানিক পথে রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা সফল হয়নি বলে মন্তব্য করেন।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

রাষ্ট্রপতি বলেন, তার বিরুদ্ধে আন্দোলন ও বিক্ষোভ হয়েছে, এমনকি বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের ঘটনাও ঘটেছে। সে সময় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু আন্দোলনকারীর মধ্যে ভাড়াটে লোক থাকতে পারে।

 

 

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পর্যায় থেকে তাকে অপসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো বলে তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি। বিশেষ করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তার সঙ্গে পর্যাপ্ত সমন্বয় ছিলো না। তিনি বলেন, সরকারপ্রধান বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেননি এবং বিদেশ সফরের সুযোগও সীমিত করা হয়েছিলো।

 

 

তিনি অভিযোগ করেন, বিদেশ সফরের আমন্ত্রণ পেলেও সরকারি সিদ্ধান্তের কারণে তাকে যেতে দেয়া হয়নি। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সরকারি চিঠি তৈরি করে তার স্বাক্ষর নেয়ার চেষ্টা হয়েছিলো বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে যাওয়ার সুযোগও সীমিত করা হয়েছিলো।

 

 

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভিন্ন দেশের আমন্ত্রণ বা আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়নি, যা সাংবিধানিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছু আচরণের সমালোচনা করেন এবং এ বিষয়ে একটি চিঠিও দেয়ার কথা জানান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গভবনের প্রেস উইংয়ের কার্যক্রম সীমিত করে দেয়া হয়েছে এবং কয়েকজন কর্মীকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তার প্রেস উইং থেকে প্রেস রিলিজ প্রকাশ বা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য প্রচারের সুযোগ কমে গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

 

রাষ্ট্রপতি বলেন, জনগণের কাছে তার উপস্থিতি কমিয়ে দেয়ার চেষ্টা হয়েছে। তবে তিনি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন।