(ভিডিও)নারায়ণগঞ্জে আলোচিত ৭ খুন শীতলক্ষ্যায় লাশ ফেলার কথা আগেই জানতেন জিয়াউল, জানতেন হাসিনাও!

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৩০ ভাদ্র ১৪৩৩০২ রবিউস সানি ১৪৪৮:

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল। নারায়ণগঞ্জ থেকে একে একে আসে সাতজনের অপহরণের খবর। এর তিনদিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে ওঠে সেই সাতজনের মরদেহ। সারা দেশে সৃষ্টি হয় তোলপাড়। বয়ে যায় নিন্দা ও সমালোচনার ঝড়। জঘন্য ওই হত্যাকাণ্ডে সন্দেহের আঙুল যায় র‍্যাবের দিকে। একে একে গ্রেপ্তার হন সংস্থাটির অভিযুক্ত কর্মকর্তারা। বিচার কার্যক্রম শেষে ঘোষণা করা হয় রায়ও। তবে আড়ালে রয়ে যায় অনেক কিছু।

  • Advertisement

  • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সাতজন অপহৃত হওয়ার পর যখন র‍্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তখন ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে র‍্যাব সদরদপ্তর। ওই সময় র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান ঘটনায় অভিযুক্ত র‍্যাব-১১’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদকে র‍্যাব সদরদপ্তরে ডেকে আনেন। তার কাছ থেকে অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের গল্প শোনেন। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তাদের না জানিয়ে গোপন রাখেন।

সূত্র জানায়, সেসময় পুলিশকেও কোনো সহযোগিতা করেননি জিয়াউল আহসান। তিনি তারেক সাইদ এবং আরও কয়েকজন মিলে ঠিক করেছিলেন অপহৃত ব্যক্তিরা ‘নিখোঁজ’ বা ‘স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে’ চলে গেছেন বলে ঘোষণা করা হবে। মরদেহগুলো যদি শীতলক্ষ্যায় ভেসে না উঠত তাহলে এটিই করা হতো।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জে সাতজনকে অপহরণ করা হয় এবং ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে। নিহতরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, সিরাজুল ইসলাম লিটন, তাজুল ইসলাম, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিম।