ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বিশেষ প্রতিনিধি, শনিবার,১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,২৭ ভাদ্র ১৪৩৩২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮:
Almost No Planes Cross The South Atlantic, Understand Reason: প্রতিদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ১ লক্ষ বিমান টেক অফ করে এবং অবতরণ করে। ইউরোপের সঙ্গে এশিয়ার ৷ এশিয়ার সঙ্গে উত্তর আমেরিকার, আর উত্তর আমেরিকার সঙ্গে ইউরোপের নিয়মিত বিমান যোগাযোগ রয়েছে। বিমান উড়ে যায় আর্কটিক অঞ্চলের আকাশ পেরিয়ে, সংযোগ স্থাপন করে বিশাল প্রশান্ত মহাসাগরের দুই প্রান্তের মধ্যেও। এমনকি ভৌগোলিকভাবে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন অস্ট্রেলিয়াতেও প্রতিদিন কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক বিমান পৌঁছায়। কিন্তু বিশ্বের বিমান যোগাযোগের মানচিত্রে একটি বড় এবং স্পষ্ট শূন্যতা আজও রয়ে গিয়েছে—সেটা হল দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর।
প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে ১ লক্ষেরও বেশি বিমান উড়লেও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের আকাশ প্রায় ফাঁকাই থাকে। চাহিদার অভাব, আয়ের বৈষম্য, বিশ্ব জুড়ে বিমান চলাচলের কেন্দ্রগুলির অবস্থান এবং দীর্ঘমেয়াদি ঐতিহাসিক সংযোগের ঘাটতির কারণে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে সরাসরি যাত্রীবাহী বিমান চলাচল এখনও অত্যন্ত বিরল।
প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে ১ লক্ষেরও বেশি বিমান বিভিন্ন শহরের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং প্রায় সব মহাদেশকেই সংযুক্ত করে। তবুও বিশ্বের বিমান রুটের মানচিত্রে একটি বড় শূন্যতা সহজেই চোখে পড়ে—সেটা হল দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকাকে সরাসরি যুক্ত করা যাত্রীবাহী বিমানের সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। অথচ এই দুই অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা প্রায় ২০০ কোটি।
-
Advertisement

বিমান চলাচলের এক শতাব্দীরও বেশি ইতিহাসে এমন সময় ছিল, যখন দক্ষিণ আটলান্টিককে উত্তর আটলান্টিকের তুলনায় আরও কার্যকর বিমান করিডর হিসেবে বিবেচনা করা হত। ১৯২০-এর দশকেই ইউরোপ, আফ্রিকা ও ব্রাজিলের মধ্যে বিমান পরিষেবা চালু হয়েছিল। এছাড়া ১৯৩১ থেকে ১৯৩৭ সালের মধ্যে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরো পর্যন্ত জেপেলিন (Zeppelin) বিমানও চলাচল করত। কিন্তু বর্তমানে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যবর্তী আকাশ প্রায় ফাঁকা থাকার প্রধান কারণ প্রযুক্তিগত নয়; বরং এর পিছনে রয়েছে অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যাগত বাস্তবতা, ঔপনিবেশিক ইতিহাসের প্রভাব, আয়ের কেন্দ্রীকরণ এবং সীমিত ব্যবসায়িক যোগাযোগ।




