মোটা টাকার বিনিময়ে অভিযান পরিচালনা করেন মেঘনার কলঙ্ক, নর্দমার কীট অপদার্থ ডা. সায়মা রহমান_পর্ব (৪)

SHARE

মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সায়মা রহমান

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ৪.,বিশেষ প্রতিনিধি, মঙ্গলবার,০৭ জুলাই ২০২৬,২২ আষাঢ় ১৪৩৩২১ মুহাররম ১৪৪৮ :

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়মার রহমানের বিরুদ্ধে মোটা টাকার বিনিময়ে অভিযান পরিচালনা করার গুঞ্জণ শোনা যাচ্ছে। তিনি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এমন একটি অভিযানে অংশ নেন। এতে তিনি মেঘনায় একটি বেসরকারি হাসপাতালকে সব কিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও অন্যের প্ররোচনায় মোটা অংকের টাকার বিনিয়ে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে একলাখ টাকা জরিমানা করেন। যা অনৈতিকতার সামিল। ইতোমধ্যেই উনার এহেন কর্মকাণ্ডে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপক সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। এ ব্যপারে ডা. সায়মা রহমানকে ধিক্কার জানাচ্ছে সচেতন মহল। বেশ কিছু দিন আগে একটি রাজনৈতিক দল ডা. সায়মা রহমানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে উনার কৃতকর্মের প্রতিবাদ জানিয়ে ছিল। তারা বলেন, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ নেতারা বলেন, প্রিয় মেঘনাবাসী, আজ আমরা মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনগণের ভোগান্তির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে কথা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আমাদের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ আমাদের ব্যানার নিয়ে টানাটানি করেছে এবং জনগণের ন্যায্য দাবি তুলে ধরার কর্মসূচিকে সীমিত করার চেষ্টা করেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—মেঘনার মানুষের কণ্ঠরোধ করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়ম ও দুর্নীতি আড়াল করা যাবে না।তিন মাস আগে আমরা ইউএনও বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছিলাম। তারপরও স্বাস্থ্যসেবার মানের কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। জনগণের অভিযোগের সমাধান হয়নি। তাহলে প্রশ্ন হলো, দায়িত্বে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা কোথায়? আমরা ১৫ দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা করছি। এই সময়ের মধ্যে সায়মা রহমানসহ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় তাদের পদত্যাগ করতে হবে অথবা মেঘনা উপজেলা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনের প্রতিও আমাদের প্রশ্ন—জনগণের ন্যায্য দাবি ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার পরিবর্তে জনগণের সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা কি তাদের দায়িত্ব নয়?মেঘনার মানুষ আজ জেগে উঠেছে। জনগণের অধিকার, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। কোনো চাপ, ভয়ভীতি বা বাধা দিয়ে জনগণের কণ্ঠস্বর বন্ধ করা যাবে না।মেঘনার মানুষের অধিকার নিয়ে আর কোনো তামাশা নয়।দুর্নীতির জবাব দিতে হবে।ব্যর্থতার জবাব দিতে হবে।১৫ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিন, নতুবা মেঘনার মানুষ গণতান্ত্রিকভাবে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে। সামনের দিন গুলোতে ডা. সায়মা রহমানের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি। আমরা ডা: সায়মা রহমানের সাথে ফোনে একাধিকবার যোগােযোগের চেষ্টা করে পাই নাই।

মেঘনা উপজেলার নিউ আল-শেফা জেনারেল হাসপাতালকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: কালবেলা