
ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বিশেষ প্রতিনিধি,সোমবার,০৬ জুলাই ২০২৬,২২ আষাঢ় ১৪৩৩২০ মুহাররম ১৪৪৮ :
কুুমিল্লার মেঘনায় আয়া বুয়া ওটিবয় এবং ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে চলছে “মেঘনা জেনারেল এন্ড ইমেজিং সেন্টার” যার কোন বৈধ কাগজপত্র বা অনুমোদন নাই। তা ছাড়া মানুষের সাথে প্রতারণা, রোগী ও রোগীর লোকদের সাথে দুর্বব্যবহার অতিরিক্ত গলাকাটা টাকা আদায় চলছে মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ইমেজিং সেন্টারে। বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার পাহাড়সম নোংরা অভিযোগের মধ্যেই বৈধ কাগজ পত্র ছাড়াই চলছে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। অসংখ্য দুর্নীতি রোগী হয়রানি কর্মচারীদের বেতন না দেওয়াসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সকল শর্ত বহির্ভূতভাবে ব্যবসা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে মেঘনা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ইমেজিং সেন্টার এর নামে। অনুমোদনহীন ও সরকারি রেজিস্টার ভুক্ত ডাক্তার ও নার্স ছাড়া চালিয়ে যাচ্ছেন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা কর্মচারীদের বেতন নিয়েও রয়েছে নানাহ অভিযোগ মহেশখোলা গ্রামের গোলাম মোস্তফা বলেন প্রতি মাসে ১৫০০০ টাকা বেতন ধার্য করে আমাকে ফিল্ড অফিসার হিসেবে চাকরি প্রদান করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আমি যোগদানের পর হতে ৪-৫ মাস ডিউটি পালন করার পর আমাকে কোন বেতন দেওয়া হয়নি। অভিযোগের ভিত্তিতে সরোজমিনে হাসপাতালে গিয়ে তাদের বৈধ কাগজপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। কথার এক পর্যায়ে হাসপাতালের কথিত নার্স মোসাম্মৎ সাথী আক্তার বলেন আমাদের কাগজপত্র সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জমা দেওয়া আছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার সায়মা রহমানের এর নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন ওই হাসপাতালে র বৈধ কোন কাগজপত্র নেই। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এত কিছুর মাঝেও হাসপাতালের কথিত মালিক ও মুদি দোকানদার সেলিম, কথিত আরেক নার্স নাজমা যিনি মোটা টাকার বিনিময়ে প্রবাসীদের স্ত্রীদের অবৈধ বাচ্চা নষ্ট করতে পটু। চিকিৎসা বিদ্যার কোন জ্ঞান না থাকলেও প্রেসক্রিপশন ও আল্টাসনোগ্রাম করেন এই নাজমা নামের আয়াটি। এতে প্রতিদিনই মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে গলাকাটা ব্যবসা করে যাচ্ছেন মেঘনা জেনারেল হাসপাতালের মা- মেয়ে- বাবার সিন্ডিকেট। মানুষ কিছু বলতে গেলেই দুষ্কৃতি বাহিনী লেলিয়ে দেয়ার অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে। প্রশাসন নীরব থাকলেও এখন তৎপর হয়ে উঠছে। যে কোন সময় এই প্রতিষ্ঠানটি অভিযান পরিচালনা করে সিলগালা করে দেয়া হতে পারে বলে খবর পাওয়া গেছে।



