ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,রংপুর মহানগর প্রতিনিধি,শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ || জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪৩৩ || ১৯ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :
রংপুর মহানগর পুলিশের থানার ভেতরে রাকিবুল ইসলাম রাকিব নামে সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্তা কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমানসহ আরও দুইজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় ৫ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেলে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গতকালের ঘটনায় ওসিসহ পাঁচজনকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এর আগে এ ঘটনায় বুধবার দিবাগত রাতে থানায় দায়িত্বরত নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা ও সাব-ইন্সপেক্টর মাসুদ রানাকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে ওসি আজাদ রহমান ও কনস্টেবল বাসুদেবকে প্রত্যাহার করা হয়।
মারধরের শিকার রাকিবুল ইসলাম রাকিব জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রংপুর সদর উপজেলার সদস্যসচিব।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের আগে নগরীর সিও বাজার এলাকার এক প্রেমিক যুগল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছিল। ওই যুগলকে উদ্ধারের পর বুধবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। ওই যুগলের পরিবারের অনুরোধে বিষয়টি মীমাংসা করতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা থানায় যান। লাভলু নামে এক নেতার ডাকে থানায় যান রাকিবুল ইসলাম।
থানায় গিয়ে রাকিবুল ইসলাম দেখতে পান, এক পুলিশ সদস্য ওই যুগলকে মারধর করছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালে ওসি আজাদ রহমান ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত ও আহত হন।
রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উদ্ধার করা প্রেমিক যুগলকে থানার ভেতরে এক পুলিশ সদস্য মারধর করছিলেন। বিষয়টি দলের এক নেতাকে জানাতে পকেট থেকে তিনি ফোন বের করলে ওসি, এসআই ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হন। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মারধরের পর পুলিশ সদস্যরা তাকে জোর করে নিয়ে গিয়ে শরীরে লেগে থাকা রক্ত ধুয়ে দেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে রক্তমাখা তুলা দেখান এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানের আঘাতের চিহ্ন দেখান।
এ সময় ওই প্রেমিক যুগলকেও চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, পুলিশ তাদেরকেও বেধড়ক মারধর করেছে।
এদিকে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের লক্ষ্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমাকে সভাপতি, ডিসি (ক্রাইম) মো. মাহফুজুর রহমান ও কোতোয়ালি জোনের এসি সুকুমার রায়কে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রংপুর মহানগর পুলিশের থানার ভেতরে রাকিবুল ইসলাম রাকিব নামে সেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্তা কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমানসহ আরও দুইজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় ৫ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেলে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গতকালের ঘটনায় ওসিসহ পাঁচজনকে প্রত্যাহার করে পুলিশলাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এর আগে এ ঘটনায় বুধবার দিবাগত রাতে থানায় দায়িত্বরত নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা ও সাব-ইন্সপেক্টর মাসুদ রানাকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে ওসি আজাদ রহমান ও কনস্টেবল বাসুদেবকে প্রত্যাহার করা হয়।
মারধরের শিকার রাকিবুল ইসলাম রাকিব জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রংপুর সদর উপজেলার সদস্যসচিব।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের আগে নগরীর সিও বাজার এলাকার এক প্রেমিক যুগল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছিল। ওই যুগলকে উদ্ধারের পর বুধবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। ওই যুগলের পরিবারের অনুরোধে বিষয়টি মীমাংসা করতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা থানায় যান। লাভলু নামে এক নেতার ডাকে থানায় যান রাকিবুল ইসলাম।
থানায় গিয়ে রাকিবুল ইসলাম দেখতে পান, এক পুলিশ সদস্য ওই যুগলকে মারধর করছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালে ওসি আজাদ রহমান ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত ও আহত হন।
রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উদ্ধার করা প্রেমিক যুগলকে থানার ভেতরে এক পুলিশ সদস্য মারধর করছিলেন। বিষয়টি দলের এক নেতাকে জানাতে পকেট থেকে তিনি ফোন বের করলে ওসি, এসআই ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হন। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মারধরের পর পুলিশ সদস্যরা তাকে জোর করে নিয়ে গিয়ে শরীরে লেগে থাকা রক্ত ধুয়ে দেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে রক্তমাখা তুলা দেখান এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানের আঘাতের চিহ্ন দেখান।
এ সময় ওই প্রেমিক যুগলকেও চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, পুলিশ তাদেরকেও বেধড়ক মারধর করেছে।
-
Advertisement

এদিকে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের লক্ষ্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমাকে সভাপতি, ডিসি (ক্রাইম) মো. মাহফুজুর রহমান ও কোতোয়ালি জোনের এসি সুকুমার রায়কে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্তা কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান



