ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ || বৈশাখ ২১ ১৪৩৩ || ১৬ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ইরানের দেয়া ১৪ দফার নতুন প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের মাধ্যমে এই জবাব তেহরানের হাতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া জবাবটি গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে ইরান।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
রোববার (৩ মে) এই প্রস্তাব ও আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যুকে যুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। তাদের মূল মনোযোগ এখন শুধুই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি টানা। এটি কোনো ভঙ্গুর বা সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়।
বাঘাই বলেন, ‘আমরা কোনো চাপের মুখে বা আল্টিমেটামের ভিত্তিতে আলোচনা করব না।’ প্রস্তাবিত ৩০ দিনের সময়সীমা নিয়ে তিনি জানান, এটি কোনো আল্টিমেটাম নয়, বরং এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কীভাবে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো যায় এবং তা বাস্তবায়ন করা যায়, সেটিরই একটি রূপরেখা।
ইরানের দেয়া ১৪ দফার এই প্রস্তাবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী ও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নেয়া, সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে আটকে থাকা বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ ছাড় এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান।
এছাড়া প্রণালীটি পরিচালনার জন্য একটি নতুন কৌশল তৈরি, ইরানের আশপাশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে আর কোনো হামলার শিকার না হওয়ার নিশ্চয়তার পাশাপাশি পারস্পরিক আস্থা তৈরির পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে প্রস্তাবটিতে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইরানের দেয়া এই নতুন প্রস্তাবকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৩ মে) ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম কান নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রস্তাবটি নিয়ে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমি প্রস্তাবটি দেখেছি, এর খুঁটিনাটি সব পর্যালোচনা করেছি। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
একই সাক্ষাৎকারে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির মামলা প্রসঙ্গেও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের প্রতি নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করে দেয়ার আহ্বান জানান।
Advertisement

ট্রাম্প বলেন, ‘আপনাদের প্রেসিডেন্টকে বলুন বিবিকে (নেতানিয়াহুর ডাকনাম) ক্ষমা করে দিতে। তিনি যুদ্ধকালীন একজন প্রধানমন্ত্রী। আমি এবং বিবি না থাকলে হয়তো ইসরাইল রাষ্ট্রের অস্তিত্বই থাকত না। আপনারা নিশ্চয়ই এমন একজন প্রধানমন্ত্রী চান যিনি আজেবাজে বিষয়ে নয়, বরং যুদ্ধের দিকে মনোযোগ দেবেন।’

সংগৃহীত ছবি


