(ভিডিও)হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের ‘পিছু হটার’ ভিডিও প্রকাশ করল আইআরজিসি

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,সোমবার   ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ৩০ ১৪৩২ || ২৪ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান আলোচনায় ফিরে না এলেও তাঁর কোনো সমস্যা নেই।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

ফ্লোরিডা থেকে ফিরে ওয়াশিংটন ডিসির কাছে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন।

শান্তি আলোচনায় ইরানের ফেরা না–ফেরা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা ফিরে আসুক বা না আসুক, আমার কিছু যায় আসে না। তারা না ফিরলেও আমার সমস্যা নেই।’

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে গত সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। এর এক দিন পর গতকাল রোববার ট্রাম্প এই মন্তব্য করলেন।

তবে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ‘ভালোভাবেই বজায় আছে’।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির ‘খুব কাছাকাছি’ ছিল ইরান: তেহরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, গত সপ্তাহান্তে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় তেহরান একটি চুক্তির ‘খুব কাছাকাছি’ পৌঁছে গিয়েছিল।

গতকাল রোববার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরান এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সদিচ্ছা নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছিল।

আব্বাস আরাগচি আরও বলেন, ইসলামাবাদে যখন দুই পক্ষ একটি চুক্তি থেকে মাত্র ‘কয়েক ইঞ্চি’ দূরে ছিল, তখন তেহরান অপর পক্ষের চরম অবস্থান, লক্ষ্য পরিবর্তন ও অবরোধের মুখোমুখি হয়।

তথ্যসূত্র: এএফপি

পোপের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পোপ চতুর্দশ লিও
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পোপ চতুর্দশ লিওফাইল ছবি: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার রাতে পোপ চতুর্দশ লিওর কড়া সমালোচনা করেছেন।

ইরান যুদ্ধ বিষয়ে পোপের অবস্থানের নিন্দা করে ট্রাম্প বলেন, তিনি পররাষ্ট্রনীতিতে ভীষণ খারাপ।

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এমন কোনো পোপকে পছন্দ করি না, যিনি বলেন, পরমাণু অস্ত্র রাখা ঠিক আছে…তিনি এমন একজন ব্যক্তি, যিনি মনে করেন না যে, পরমাণু অস্ত্র চাইছে—এমন কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের খেলা-তামাশা করা উচিত—যাতে তারা পৃথিবী ধ্বংস করতে পারে।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি পোপ লিওর ভক্ত নই।’

প্রথম আমেরিকান পোপ লিও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধ নিয়ে আরও সরব হয়েছেন। গত সপ্তাহে তিনি ট্রাম্পের কঠোর বক্তব্য, ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে তাঁর হুমকিকে ‘প্রকৃতপক্ষে অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি তাঁর ট্রুথ সোশালে পোপকে নিয়ে দীর্ঘ সমালোচনামূলক পোস্ট দেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি এমন কোনো পোপ চান না, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করেন।

তথ্যসূত্র: সিএনএন

যেকোনো নৌ অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা নিশ্চিত: ইরানি সামরিক উপদেষ্টা

মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি
মানচিত্রে হরমুজ প্রণালিছবি: রয়টার্স

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা বলেছেন, যেকোনো নৌ অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতা নিশ্চিত।

হরমুজ প্রণালি অবরোধের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রেক্ষাপটে এ মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই।

মোহসেন রেজাই বলেন, যেভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে একটি ঐতিহাসিক পরাজয়ের মুখে পড়েছিল, তেমনিভাবে যেকোনো নৌ অবরোধের ক্ষেত্রেও তারা ব্যর্থ হতে বাধ্য।

দীর্ঘদিন ইরানের আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মোহসেন রেজাই আগে অবসর নিয়েছিলেন। পরে তিনি অবসর ভেঙে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।

নৌ অবরোধ প্রসঙ্গে মোহসেন রেজাই বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের এমন কোনো পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে দেবে না। ইরানের সামরিক বাহিনীর ‘গুরুত্বপূর্ণ অপ্রকাশিত সক্ষমতা’ রয়েছে, যা যেকোনো হুমকির জবাব দিতে পারে।

মোহসেন রেজাই আরও বলেন, ইরান এমন কোনো দেশ নয়, যাকে টুইট বা কাল্পনিক অবরোধ পরিকল্পনা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

তথ্যসূত্র: সিএনএন

ইরানে আবার হামলা শুরু করার কথা ভাবছেন ট্রাম্প: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

গত সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আলোচনা যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি আনতে ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানে আবার বিমান হামলা শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বেনামি মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিমান হামলার পাশাপাশি আরও কিছু পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছেন। এর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ, যা তিনি গতকাল রোববারই ঘোষণা করেন।

প্রতিবেদনটির বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বিবিসিকে বলা হয়, সব বিকল্পই খোলা আছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, ইরানের চাঁদাবাজি বন্ধের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি বিচক্ষণতার সঙ্গে অন্য সব বিকল্প বিবেচনায় রেখেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেবেন, এ বিষয়ে কেউ যদি ওয়াল স্ট্রিট জার্নানকে কিছু বলে থাকেন, তা সম্পূর্ণই অনুমাননির্ভর।

তথ্যসূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও বিবিসি

ইরানের একটি তেলক্ষেত্র
ইরানের একটি তেলক্ষেত্রফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরানি বন্দর অবরোধের ঘোষণায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে

সোমবার থেকে ইরানের বন্দরগুলো অবরোধের মার্কিন ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। আজ লেনদেনের শুরুতেই এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪ দশমিক ২৪ ডলারে পৌঁছেছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেল ১০২ দশমিক ২৯ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার। যুদ্ধের প্রভাবে বিভিন্ন সময়ে তা ১১৯ ডলারও ছাড়িয়ে যায়।

এর আগে গত শুক্রবার পাকিস্তানে বৈঠকের খবরের মধ্যে জুনে সরবরাহের জন্য তেলের দাম কিছুটা কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমেছিল।

 

ইরান উপকূলে নৌ-অবরোধের বিস্তারিত জানাল মার্কিন সামরিক বাহিনী

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১৩ এপ্রিল থেকে তারা ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ কার্যকর করতে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্টের ঘোষণা অনুযায়ী ওই দিন সকাল ১০টা থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে আসা-যাওয়া করা সব ধরনের নৌ-চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যকার আলোচনা কোনো ফলাফল ছাড়াই শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি অবরোধ করবে।

সেন্টকমের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের ইরানি বন্দরসহ দেশটির সব উপকূলীয় এলাকায় যাতায়াতকারী সব দেশের জাহাজের ওপরই এই অবরোধ সমানভাবে কার্যকর করা হবে।’

 

যুদ্ধবিরতিতে অবশ্যই লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ব্রিটেন ও ফ্রান্সের

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ আজ এক ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন। দুই নেতাই একমত হয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিটের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই নেতা দ্রুত উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার একটি ‘স্থায়ী যুদ্ধবিরতির’ প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। দুই রাষ্ট্রপ্রধানই মনে করেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে লেবাননকে এ চুক্তির বাইরে রাখার সুযোগ নেই।

বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করেন। এ সময় সমুদ্রপথে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক জোট গঠনের অঙ্গীকার করেন তারা।

 

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানফাইল ছবি: রয়টার্স

সমঝোতায় পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘কর্তৃত্ববাদী’ মনোভাব ছাড়তে হবে: পেজেশকিয়ান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দ্বন্দ্বের স্থায়ী অবসান ঘটাতে চলমান আলোচনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘যদি মার্কিন সরকার তাদের কর্তৃত্ববাদী অবস্থান ত্যাগ করে এবং ইরানি জাতির অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে, তাহলে অবশ্যই সমঝোতায় পৌঁছানোর পথ খুঁজে পাওয়া যাবে।’

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও দেশটির প্রতিনিধিদলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের প্রশংসা করে পেজেশকিয়ান আরও বলেন, ‘আমি আলোচনাকারী দলের সদস্যদের, বিশেষ করে আমার প্রিয় ভাই ডক্টর গালিবাফকে অভিনন্দন জানাই। আমি বলব, সৃষ্টিকর্তা আপনাদের সহায় হোন।’

 

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স  ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষে ইসলামাবাদ ছাড়েন। পাকিস্তান, ১২ এপ্রিল
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষে ইসলামাবাদ ছাড়েন। পাকিস্তান, ১২ এপ্রিলছবি: এএফপি

ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখনো সম্ভব, মনে করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মনে করেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি হওয়া এখনো সম্ভব। তবে তেহরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি ছাড়তে রাজি না হওয়ায় একটি ‘চূড়ান্ত প্রস্তাব’ দিয়ে তিনি ইসলামাবাদ ত্যাগ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা আলোচনার এই সারসংক্ষেপ জানিয়েছেন।

ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়া ভ্যান্স আলোচনা শেষে এই বিশ্বাস নিয়ে ফিরেছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দরকষাকষিতে ইরানের হাতে ঠিক কতটা শক্তি আছে, সে বিষয়ে দেশটির শাসকদের মধ্যে ‘ভুল ধারণা’ রয়েছে।

Advertisement

দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, অমীমাংসিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ে একটি বৃহত্তর শান্তি কাঠামো তৈরি এবং কোনো ধরনের টোল বা শুল্ক ছাড়াই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার স্থায়ী সমাধান।

সূত্র: বিবিসি।

হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের ‘পিছু হটার’ ভিডিও প্রকাশ করল আইআরজিসি