নার্সিংয়ে পড়াতে খরচ ২০ লাখ, চাকরি পেয়েই প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন প্রেমিকার!(ভিডিও)

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,মাদারীপুর প্রতিনিধি,শনিবার   ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ২১ ১৪৩২ || ১৫ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় প্রেমিকার বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতি ও স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে অনশনে বসেছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮) নামে এক যুবক। তার দাবি, প্রেমিকাকে নার্সিংয়ে পড়াতে ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করেছেন তিনি। চাকরি পাওয়ার পরপরই তার সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন করেছেন প্রেমিকা। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

জানা গেছে, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে গতকাল মঙ্গলবার থেকে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন বিশ্বজিৎ। তিনি একই উপজেলার বাসিন্দা বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে।

বিশ্বজিতের দাবি, অনুশীলার সঙ্গে তার দীর্ঘ ১০ বছরের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। চার বছর আগে তারা আদালতের মাধ্যমে (কোর্ট ম্যারিজ) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

তিনি অভিযোগ করেন, অনুশীলার নার্সিং পড়াশোনার পেছনে তিনি প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। ঢাকায় তারা দীর্ঘদিন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একসঙ্গে বসবাসও করেছেন।

বিশ্বজিৎ বলেন, ‘সম্প্রতি নার্সিং শেষ করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পর থেকে অনুশীলা পরিবারের প্ররোচনায় আমার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে। গত ১২ দিন ধরে সে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় বাধ্য হয়ে আমি অনশনে বসেছি। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে সরব না।’

অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অনুশীলা বাড়ৈ। তিনি বলেন, ‘তার সঙ্গে আগে সম্পর্ক ছিল। তবে জোরপূর্বক আমাকে কোর্ট ম্যারিজে সই করানো হয়েছিল। এক সপ্তাহ আগে আইনগতভাবে তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। এখন তার সঙ্গে সংসার করা সম্ভব নয়।’

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসী জানান, দুজনের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বিষয়টি এলাকায় পরিচিত ছিল। তারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং সম্মতির ভিত্তিতেই বিয়ে করেছিলেন বলে জানা যায়। বর্তমানে দুই পরিবারের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছি। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’