(ভিডিও)এপস্টেইন ফাইলে বিকিনি পরা নারীর সঙ্গে বিজ্ঞানী হকিংয়ের পানীয় পানের ছবি

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, শুক্রবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৪ ১৪৩২ || ৯ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :

বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক স্টিফেন হকিংয়ের একটি ছবি পাওয়া গেছে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের একটি প্রকাশিত ফাইলে। সেই ছবিতে দেখা গেছে, হাতলবিহীন একটি ইজিচেয়ারে আধশোয়া অবস্থায় আছেন হকিং এবং তার দু’পাশে দু’জন নারী পানীয়ের গ্লাস হাতে দাঁড়িয়ে আছেন।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

তাদের মধ্যে একজন নারী শরীর নড়া-চড়া করতে অক্ষম হকিংকে ধরে রেখেছেন, যেন তিনি পড়ে না যান এবং আরেক জন একটি পানীয়র গ্লাস হকিংয়ের পেটের ওপর ধরে রেখেছেন, ডান হাত দিয়ে সেই গ্লাস স্পর্শ করে আছেন হকিং।

সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট থমাস দ্বীপের রিটজ-কার্লটন হোটেলে আয়োজিত একটি বিজ্ঞান সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন অধ্যাপক হকিং। সেখানেই তোলা হয়েছে এ ছবিটি।

হকিংয়ের পরিবারের সদস্যদের মুখপাত্র ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি মেইলকে বলেছেন, “এই দু’জন নারী দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপক হকিংয়ের সেবা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। অধ্যাপক হকিংয়ের বিরুদ্ধে কোনো অসদাচরণের অভিযোগ ওঠানো কিংবা এ ধরনের কোনো ইঙ্গিত খুবই ভুল এবং চরমভাবে অবাস্তব।”

জেফ্রি এপস্টেইনের ফাইলে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম এসেছে এবং তাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন দ্বীপে এপস্টেইনের প্রাসাদে গোপনে আনন্দ-ফুর্তি ও যৌন পরিষেবা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এপস্টেইন ফাইলে অধ্যাপক হকিংয়ের নাম এসেছে ২৫০ বার।

এই বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কিত প্রায় প্রত্যেকেই একে ‘হাস্যকর’ বলেছেন; কারণ মোটর নিউরন ডিজিজ নামে এক দূরারোগ্য ও বিরল রোগে আক্রান্ত স্টিফেন হকিং দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে অক্ষম এবং অচল ছিলেন। শুধুমাত্র ডান গালের পেশি ছাড়া তার দেহের সমস্ত পেশি অকার্যকর ছিল। গালের পেশি সঞ্চালনার মাধ্যমে একপ্রকার বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে কথাবার্তা বলতেন তিনি।

শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য প্রায়েই ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন পড়তো তার, চলাচলের জন্য প্রয়োজন হতো ইলেকট্রনিক হুইল চেয়ার এবং ঘড়ি ধরে সময়মতো তাকে ওষুধ খাওয়াতে হতো।

১৯৪২ সালে ‍যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড শহরে জন্ম নেওয়া হকিন্স ছিলেন বিংশ শতাব্দির দ্বিতীয়ার্ধের প্রধান পদার্থবিজ্ঞানী। অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের পর তাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদার্থবিজ্ঞানী বলে মনে করা হয়।

হকিন্স প্রধান কাজ সময় নিয়ে। তার লেখা ‘সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস’ (ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম)-কে বিশ্বের সেরা বইগুলোর মধ্যে একটি বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

মাত্র একুশ বছর বয়সে এই রোগে আক্রান্ত হন অধ্যাপক হকিং এবং বয়স ৩০ পার হওয়ার আগেই শারীরিকভাবে প্রায় সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েন। এক সময় চলে যায় কথা বলার শক্তিও। ২০১৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যু হয় তার। জীবনের ৫০ বছরের বেশি সময় তার কেটেছে অসুস্থ অবস্থায়।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, ২০০৬ সালে যে বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগ দিতে সেইন্ট থমাস দ্বীপে গিয়েছিলেন হকিং, সেই সম্মেলনের আয়োজক ছিলেন এপস্টেইন। হকিংকে তিনিই এ সম্মেলনে আমন্ত্রণ করেছিলেন এবং তার আসার ব্যবস্থাও করেছিলেন।