ঢাবিতে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অভিযুক্ত ছাত্রসংগঠনের দুই নেতা

SHARE

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাইয়ান আব্দুল্লাহ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল গণি সগীর

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.ম,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, রোববার   ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ১১ ১৪৩২ :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে চাঁদার বিনিময়ে দোকান বসানোর অভিযোগ উঠেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাইয়ান আব্দুল্লাহ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল গণি সগীরের বিরুদ্ধে।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

 

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

 

 

পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমা জানান, প্রায় এক মাস আগে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে একটি মোমোর দোকান শনাক্ত করা হয়। তখন রাইয়ান আব্দুল্লাহ নিজেকে দোকানটির মালিক দাবি করেন এবং নুরুন নবী নামে এক ব্যক্তিকে কর্মচারী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। তবে প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় জিজ্ঞাসাবাদে নুরুন নবী স্বীকার করেন, অর্থের বিনিময়ে দোকানটি বসানো হয় এবং তাকে ‘শেল্টার’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

 

সর্ব মিত্র চাকমার দাবি, দোকানটি উচ্ছেদ করতে গেলে নুরুল গণি সগীর তাকে ফোন করে দোকানটি নিজের বলে দাবি করেন এবং উচ্ছেদ না করার অনুরোধ জানান।

তিনি আরো লেখেন, প্রকৃতপক্ষে দোকানটি অভিযুক্ত দুই নেতার কারোরই নয়। চাঁদার বিনিময়ে ‘শেল্টার’ দিয়ে দোকান বসানো হয়েছে, যেখানে টাকার বিনিময়ে ‘ঢাবি শিক্ষার্থী’ পরিচয় ব্যবহার করা হয়।

 

ফেসবুক পোস্টে সংযুক্ত একটি লিখিত জবানবন্দিতে দোকান পরিচালনাকারী নুরুন নবী বলেন, “গত বছরের নভেম্বর মাসের ৪ তারিখ শহীদুল্লাহ হলের ২০১৬–১৭ সেশনের শিক্ষার্থী রাইয়ান আব্দুল্লাহ এবং জসীম উদ্দীন হলের নুরুল গণি সজীবের মাধ্যমে লাইব্রেরির সামনে একটি দোকান বসাই। ওই দিন প্রক্টরিয়াল টিম দোকানটি জব্দ করে।”

অভিযোগ প্রসঙ্গে নুরুল গণি সগীর বলেন, “রাইয়ান আব্দুল্লাহ ভাইয়ের অনুরোধে আমি সর্ব মিত্র চাকমাকে ফোন দিয়েছিলাম। ক্যাম্পাসে আমি কোথাও কোনো দোকান বা ফুড কার্ট পরিচালনা করি না। জবানবন্দিতে নাম থাকার বিষয়েও আমি কিছু জানি না।”

Advertisement

এ জে সেন্টারে বিত্রুয় প্রতিনিধি আবশ্যক
__________________________
এ সি,ডিসি লাইট,বাথ ব্যাথা,চুলকানীর মলম,ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়।
বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাইকেল ও মোবাইল দেওয়া হয়, আলোচনাশাপেক্ষে।
যোগাযোগ করুন-মোবাইল : ০১৯৭৮৬২৪২০৫
মোঃ মতিউর রহমান
এ জে সেন্টার
বারদি 
বাজার,সোনারগাঁও
জেলা- নারায়নগঞ্জ

_______________________________________

অন্যদিকে রাইয়ান আব্দুল্লাহ বলেন, “নুরুন নবীর সঙ্গে আমার ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব ছিল। তার ব্যবসার অর্ধেক শেয়ার নিয়ে আমরা লাইব্রেরির সামনে মোমোর দোকান দিই।”

ঘটনাটি প্রকাশের পর ক্যাম্পাসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।