(ভিডিও)সাভারে ৭ মাসে ৬ খুন নেপথ্যে ভবঘুরে সম্রাট

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.ম,ঢাকার সাভার প্রতিনিধি ,বুধবার   ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ৭ ১৪৩২ :

ঢাকার সাভারে পরিত্যক্ত পৌরসভা কমিউনিটি সেন্টারে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। ভবঘুরের ছদ্মবেশে ছয়টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মশিউর রহমান খান সম্রাট (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। মশিউর এসব হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় সাভার মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম।

Advertisement

আপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি আপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain আথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

পুলিশ জানায়, পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার থেকে সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া জোড়া মরদেহের ঘটনায় তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন একজনকে শনাক্ত করা হয়। ফুটেজে ওই ব্যক্তির চলাফেরা, অবস্থান ও সময়ের মিল পাওয়ায় তাকে নজরদারিতে আনা হয়। পরবর্তী সময়ে অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমান খান সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার সম্রাট কমিউনিটি সেন্টারে পাওয়া সর্বশেষ জোড়া মরদেহসহ ছয়টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, গত পাঁচ মাসে সাভার এলাকায় ধারাবাহিকভাবে ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনার ধরন ও আলামত বিশ্লেষণ করে একই ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। অবশেষে সিসিটিভি ফুটেজই হত্যাকারীকে শনাক্ত করতে বড় ভূমিকা রাখে। গ্রেপ্তার মশিউর রহমান খান সম্রাট সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকার মৃত সালামের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

সাভারে ছয় জনকে নৃশংস কায়দায় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার সিরিয়াল কিলার সম্রাটের প্রকৃত নাম হচ্ছে সবুজ শেখ। তার বাবার নাম পান্না শেখ। তারা তিন ভাই চার বোন। বড় বোন শারমিন। দ্বিতীয় সবুজ শেখ। তারপর আরেক বোন ও আরেক ভাই। তারপরে আরও দুই বোন। তাদের নানা বাড়ি বরিশালে। সবুজের জন্মস্থান এবং বাবার বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া ইউনিয়নের মোসামান্দা গ্রামে। শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে বিভিন্ন স্থান থেকে ভবঘুরে নারীদের সে নির্জন স্থানে নিয়ে আসতো। তারা অন্য কারো সঙ্গে কিংবা অন্য কেউ তাদের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করলে সে তাদেরকে হত্যা করত। সর্বশেষ ঘটনার ৩-৪দিন আগে তানিয়া ওরফে সোনিয়া নামে এক ভবঘুরে তরুণীকে সে কমিউনিটি সেন্টারে এনে রাখে। ওই তরুণীর সঙ্গে আরেক ভবঘুরে যুবক অনৈতিক সম্পর্ক করলে প্রথমে তাকে কমিউনিটি সেন্টারের দোতালায় নিয়ে মেরে ফেলে সম্রাট। এরপর ওই ভবঘুরে তরুণীকে নিচতলায় হত্যা করে। তারপরে লাশ পুড়িয়ে দেয়।

গতকাল সোমবার আদালতের জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট ৬টি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সম্রাটকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ৬ হত্যা মামলার আসামি সবুজ ওরফে সম্রাট। জবানবন্দি শেষে গত রাতেই তাকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক কামাল হোসেন।

পুলিশের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার দুই হাত গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। পরে একই বছরের ১১ অক্টোবর ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যার মাথা ও গলায় কাটা জখমের চিহ্ন ছিল।

এরপর ১৯ ডিসেম্বর একই ভবনের বাথরুম থেকে আগুনে পোড়া ও গলিত অবস্থায় আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ গত ১৮ জানুয়ারি একই ভবনের দ্বিতীয় তলার বাথরুমের ভেতর থেকে এক পুরুষ ও এক কিশোরীর আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সাভার মডেল মসজিদের পাশে একটি চায়ের দোকানের কাছ থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, এ ঘটনাটিও একই সিরিজ হত্যাকাণ্ডের অংশ।

Advertisement

এ জে সেন্টারে বিত্রুয় প্রতিনিধি আবশ্যক
__________________________
এ সি,ডিসি লাইট,বাথ ব্যাথা,চুলকানীর মলম,ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়।
বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাইকেল ও মোবাইল দেওয়া হয়, আলোচনাশাপেক্ষে।
যোগাযোগ করুন-মোবাইল : ০১৯৭৮৬২৪২০৫
মোঃ মতিউর রহমান
এ জে সেন্টার
বারদি সোনারগাঁও বাজার
জেলা- নারায়নগঞ্জ

__________________________________________________

পুলিশ জানায়, ধারাবাহিক এসব ঘটনার পর সাভার মডেল থানা ও ডিবি যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। জোড়া মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার পরপরই ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

পুলিশ আশা করছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে সাভারের এই ভয়াবহ সিরিয়াল কিলিংয়ের পেছনের পূর্ণ রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।