ওয়েলিংটনে জয়ে ফিরল অস্ট্রেলিয়া

SHARE

5260অকল্যান্ডের ইডেন পার্কের দুঃস্বপ্ন অস্ট্রেলিয়া কখনও ভুলতে পারবে কি না সন্দেহ। নিউজিল্যান্ডের করা ৩০৭ রানের জবাবে তারা অলআউট হয়েছিল মাত্র ১৪৮ রানে। তবে দুঃস্বপ্ন যে আপাতত তারা ভুলেছে, তার প্রমাণ মিলল ওয়েলিংটনেই। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই জয়ের ধারায় ফিরল অসিরা। কিউইদের ছুড়ে দেয়া ২৮১ রানের চ্যালেঞ্জ ২১ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের ব্যবধানে জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া।

উসমান খাজা, ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ এবং জন হাস্টিংসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের চ্যালেঞ্জ টপকাতে কোনো বেগ পেতে হয়নি স্টিভেন স্মিথদের। তবে জিতলেও একটা আক্ষেপ থেকে যাবে ওয়ার্নারের। কারণ, এই অসি ওপেনার আউট হয়েছেন ৯৮ রানে। মাত্র ২ রানের আক্ষেপে পুড়তে হচ্ছে এখন তাকে। উসমান খাজা করেন ৫০ রান। মিচেল মার্শ ৬৯ রানে এবং জন হাস্টিংস অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে।

নিউজিল্যান্ডের ছুড়ে দেয়া ২৮১ রান তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার উসমান খাজা এবং ডেভিড ওয়ার্নার উদ্বোধনী জুটিতেই তুলে ফেলেন ১২২ রান। তবে হাফ সেঞ্চুরি পুরণ করার পর মিচেল সান্তনারের বলে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান খাজা।

খাজা আউট হওয়ার পর অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ওপর ঝড় তোলেন নিউজিল্যান্ডের বোলাররা। বিনা উইকেটে ১২২ থেকে অস্ট্রেলিয়ার রান ১৪৪ না হতেই পতন ঘটে চার উইকেটের। চরম ব্যাটিং বিপদে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। মিচেল সান্তনার একাই কোমর ভেঙে দেয়ার চেষ্টা করেন অসিদের।

কিন্তু ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নামা মিচেল মার্শই হাল ধরেন অস্ট্রেলিয়া ইনিংসের। ওয়ার্নারের সঙ্গে মিলে ৪৭ রানের জুটি গড়েন মার্শ। এ সময়ই দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৯৮ রানে আউট হয়ে গেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ১৯১ রানে পঞ্চম উইকেট পড়ার পর দলীয় ১৯৭ রানে ফিরে গেলেন ম্যাথ্যু ওয়েডও।

এরপরই মিচেল মার্শের সঙ্গে জুটি বাধেন জন হাস্টিংস। এই জুটিই শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে পৌঁছে দিল জয়ের বন্দরে। এ জুটিতে উঠলো ৮৬ রান। ৭২ বলে মিচেল মার্শ অপরাজিত ৬৯ রানে। হাস্টিংস অপরাজিত থাকলেন ৪৮ রানে।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কেনে উইলিয়ামসনের ৬০ রানের ওপর ভর করে ৯ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড সংগ্রহ করে ২৮১ রান। ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন মিচেল সান্তনার। ৩৬ রান করেন অ্যাডাম মিলনে। গ্র্যান্ড ইলিয়ট করেন ৩২ রান। মার্টিন গাপটিল করেন ৩১ রান।