(ভিডিও)শ্যামল দত্তসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

SHARE

ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আইন আদালত প্রতিনিধি, রোববার,২৫ অক্টোবর ২০২৬,৯ কার্তিক ১৪৩৩১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮:

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে উসকানি ও প্ররোচনার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

  • Advertisement

  • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

 

রবিবার (২৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।

 

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে অন্য অনেকের মতো সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাও উসকানি দিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধে উসকানি দেওয়াও অপরাধ হিসেবে গণ্য। তদন্ত সংস্থা এ ঘটনায় তিন সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পেয়েছে। এরই মধ্যে এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বরের গণহত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে, শ্যামল দত্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একটি মামলায় নিম্ন আদালতের আদেশে কারাগারে রয়েছেন।

 

প্রসিকিউশনের দাবি, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে কয়েকজন সাংবাদিক প্রশ্ন করার নামে অপরাধে উসকানি দিয়েছিলেন। তাদের বক্তব্য ও প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতেই শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’, ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতি-পুতি’ বলে অভিহিত করেছিলেন বলে দাবি করেছে প্রসিকিউশন।

 

প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা সাংবাদিকদের দায়িত্ব, এটি কোনো অপরাধ নয়। তবে ওই সময় কিছু নির্দিষ্ট সাংবাদিক নিয়মিত প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতেন এবং তাদের বক্তব্য শুধু প্রশ্নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত না। বরং তাদের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসার পাশাপাশি তাকে দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু কথা বলানোর উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক প্রস্তাবও থাকত।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, এসব বক্তব্য ও প্রস্তাবের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধে উসকানি দেওয়া হয়েছিল।

সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা