(ভিডিও)টাঙ্গাইলে সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, সোমবার,২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৬ আশ্বিন ১৪৩৩০৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ :

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় একটি সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢালাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

  • Advertisement

  • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

সোমবার দুপুরে বাসাইল জিসি-কাউলজানী ইউপি অফিস ভায়া মাইজখাড়া জিপিএস সড়কের ৯০ দশমিক ০৬ মিটার দীর্ঘ গার্ডার সেতুটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এবং বিভিন্ন আলামত দেখে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান তিনি।

ইউএনও বলেন, “বিষয়টি জানতে পেরে সেতুটি পরিদর্শন করি। সেখানে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় জানায়, সেতুটির পুনর্নির্মাণের কাজ পেয়েছে মেসার্স ইউনুছ আল মামুন-মেসার্স জাকির নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এলজিইডির প্রায় ১০ কোটি নয় লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে সময় বাড়ানো হয়। বর্তমানে সেতুটির প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। দিনে কাজ না করে রাতে কাজ করার সময় তারা রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টি দেখতে পান।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার শরিফুল ইসলাম বলেন, “এই গ্যাপগুলোর ভেতরে খোলা। ভেতরে তো শাটার বের করার সুযোগ নাই। বড়গুলোর ভেতরে শাটার দিয়ে কাজ করেছি, আর ওইগুলো এই গ্যাপ দিয়ে বের করেছি। আর এইটা বাঁশ দিয়ে স্লাব বানিয়ে ওপরে সিমেন্টের একটা বস্তা দিয়ে খাঁচা দিয়ে আমরা ঢালাই করেছি।”

Image

বাসাইল উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, সেতুর নির্মাণকাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এ কাজের দায় উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের নয়। এটি জেলা প্রকৌশল দপ্তরের কাজ। বিষয়টি জেলা প্রকৌশলীকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

এ বিষয়ে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

  • Advertisement

এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।