ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৩ আশ্বিন ১৪৩৩০৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
:
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সৌদি আরবের আরো তীব্রভাবে জড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর লকহিড মার্টিনের তৈরি ‘এফ-৩৫ লাইটনিং ২’ যুদ্ধবিমান রিয়াদের কাছে সম্ভাব্য বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার এই অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
-
Advertisement

-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩
এই বিক্রয় প্রক্রিয়াটি যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়; এটি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তির ভারসাম্য বদলে দিতে পারে এবং মিত্র দেশ হিসেবে ইসরায়েলের ‘গুণগত সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব’ বজায় রাখার বিষয়ে ওয়াশিংটনের নিজস্ব সংজ্ঞাকে এক ধরনের পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি বিবেচনা করার সময় ওয়াশিংটন এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেয় যাতে ইসরায়েলের ‘গুণগত সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব’ বজায় থাকে; এর মাধ্যমে কার্যত নিশ্চিত করা হয় যে, আঞ্চলিক আরব রাষ্ট্রগুলোর তুলনায় ইসরায়েল যেন আরো উন্নত মার্কিন অস্ত্র পায়।
সৌদি আরব ২০২৫ সালের শুরুর দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে এই যুদ্ধবিমানগুলোর জন্য সরাসরি অনুরোধ জানিয়েছিল এবং লকহিড মার্টিনের তৈরি এই বিমানের প্রতি তাদের দীর্ঘদিনের আগ্রহ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আনুমানিক ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এই বিক্রয় চুক্তির জন্য এখনো কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ৪৮টি সামরিক বিমান এবং ৪৯টি প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি ইঞ্জিন ছাড়াও যোগাযোগ সরঞ্জাম, খুচরা যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সহায়তা সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস এই প্রস্তাবিত বিক্রয়কে স্বাগত জানিয়েছে এবং এটিকে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরো একটি পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে।
-
Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের বৃহত্তম ক্রেতা সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই এই যুদ্ধবিমানটি পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। নিজেদের বিমান বাহিনীকে আধুনিকীকরণ এবং আঞ্চলিক হুমকি—বিশেষ করে ইরানের পক্ষ থেকে আসা হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যে তারা এটি চাইছে। দুই স্কোয়াড্রনের সমপরিমাণ বিমান সংগ্রহের জন্য সৌদি আরবের এই নতুন উদ্যোগ এমন এক সময়ে নেওয়া হলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন রিয়াদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।



