
ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বিনোদন প্রতিনিধি, শনিবার,১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,২৭ ভাদ্র ১৪৩৩২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮:
আলো ঝলমলে চলচ্চিত্রজীবনের আড়ালেও জমে ছিল দীর্ঘদিনের কিছু না-বলা কষ্ট। এবার সেই অভিজ্ঞতার কথাই সামনে আনলেন নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি। পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া আঘাত ও নিজের প্রতি তাদের আচরণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ৩০ বছরের সংগ্রামের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
-
Advertisement

-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩
১৯৯৬ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পপির। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর মিষ্টি হাসি, অভিনয় আর ব্যক্তিত্ব দিয়ে নিজের জায়গা শক্ত করে নেন ঢালিউডে।

চলচ্চিত্রজীবনের শুরুর সময় থেকেই দর্শকের নজর কাড়েন পপি
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে শুটিং স্পট থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় পপির সঙ্গে তার মাকে দেখা যেত। তবে, সাম্প্রতিক সময়ে মায়ের সঙ্গে তার দূরত্বের বিষয়টি সামনে এসেছে। পপির বিরুদ্ধে তার মায়ের বিভিন্ন অভিযোগও প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে।
এরই মধ্যে নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন পপি। যার হাত ধরে তিনি সিনেমাজগতে এসেছিলেন, সেই নারীকে গণমাধ্যমে সৎমা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, “৩০ বছর কষ্ট করেছি (কান্নাজড়িত কণ্ঠে) কখনো আমার কষ্ট তারা উপলব্ধি করেনি। আমাকে সবসময় টাকা কামানোর মেশিন হিসেবে ব্যবহার করেছে। তাদের চাহিদার শেষ ছিল না। যত পেয়েছে ততই চাহিদা বাড়তো।”
নিজের জীবনে সেই সময়ের প্রভাব এখনো রয়ে গেছে জানিয়ে পপি আরো বলেন, “সৎ মার সংসার থেকে যে পরিমাণে আঘাত পেয়েছি সেই ধকল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি।”

দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী পপি
পপির চলচ্চিত্রযাত্রার শুরু হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেলেও দর্শকের কাছে তার জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে স্বামী ও সন্তান নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
-
Advertisement

তিন দশকের পথচলায় পর্দায় পপিকে দর্শক দেখেছেন নানা চরিত্রে। এবার তার বলা কথায় সামনে এলো সেই জীবনের অন্য এক অধ্যায়—যেখানে সাফল্যের পাশাপাশি রয়েছে দীর্ঘদিনের অভিমান, কষ্ট আর না-পাওয়া স্বীকৃতির গল্প।



