(ভিডিও)পাবনায় সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.,পাবনার শহর প্রতিনিধি,মঙ্গলবার   ০৯ জুন ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ২৬ ১৪৩৩ || ২৩ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :

পাবনার শহরে হোসেন আলী নামে এক ব্যক্তিকে সন্তানের সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া আরেকটি ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

Advertisement

  • অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
    ——————————-
    আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,
    ০১৩১৫২৫১১৪৫

 

সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পাবনা পৌর এলাকার জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসার সামনে গুলি এবং বিকেলে ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পেছনে ছুরিকাঘাত করা হয়।

 

 

গুলিতে নিহত হোসেন আলী (৫৫) পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর জাফরাবাদ গ্রামের মৃত মঈন উদ্দিনের ছেলে। আর ছুরিকাঘাতে নিহত মনিরুল ইসলাম (২২) পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার শিবরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মুন্নাফ আলীর ছেলে।

 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় সন্তানকে রাখতে যান হোসেন আলী। আশপাশে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা সন্তানের সামনে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে হোসেন আলী মারা যায়।

পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে বিকেলে রাকিব ও মনিরুল নামে দুই যুবকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর মধ্যে মনিরুলকে ছুরিকাঘাত করে রাকিব। আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অবস্থা বেগতিক দেখে রাকিব পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রাকিবকে আটক করে।

 

এ সময় স্থানীয় লোকজন মনিরুলকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, হোসেন আলীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর মনিরুলের লাশ রাজশাহী থেকে পাবনার পথে রয়েছে।

Advertisement

 

তিনি আরো বলেন, মনিরুলের হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সব ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।