(ভিডিও)বৃদ্ধা ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে কারাগারে ২ যুবক

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,মানিকগঞ্জের শিবালয় প্রতিনিধি,সোমবার   ০৮ জুন ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ২৫ ১৪৩৩ || ২২ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ষাটোর্ধ বয়সী এক নারী ভিক্ষুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


  • Advertisement

  • অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
    ——————————-
    আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,
    ০১৩১৫২৫১১৪৫

শনিবার (৬ জুন) পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে চিফ জুডিশিয়াল বিজ্ঞ আদালতে পাঠালে ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ৩০ মে দুপুরে উপজেলায় ষাইটঘর তেওতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষণের অভিযোগে ওই ভুক্তভোগি গত শুক্রবার (৫ জুন) দুই যুবকের বিরুদ্ধে শিবালয় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- ষাইটঘর তেওতা গ্রামের মৃত মজিদ শেখের পুত্র আশরাফুল (২৬), দক্ষিণ তেওতা গ্রামের আতাব আলীর ছেলে রবিন ওরফে সোহেল রানা (২৭)।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ৩০ মে দুপুরে ষাইটঘর তেওতা বাজারে ৬৩ বছর বয়সী নারী ভিক্ষুক ভিক্ষা নিতে আসে। অভিযুক্তরা ভিক্ষা দেয়ার কথা বলে ভিকটিমকে অটোরিক্সা যোগে তৈয়বের মোল্লার বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে ভিক্ষুককে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ভিকটিমের গলায় থাকা রুপার মালা কৌশলে ছিনিয়ে নেয়।

ভিকটিম ধর্ষণের বিষয়টি আত্মীয়-স্বজনকে জানালে ঘটনার ৫দিন পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই দুইজনকে আটক করে উত্তম-মাধ্যম দেয়। শিবালয় থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। উপস্থিত

লোকজনের সামনে অভিযুক্তরা পুলিশের কাছে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে এবং রুপার চেইন বিক্রি করেছে বলে জানায়। পুলিশ রুপার মালা কেনার অপরাধে স্থানীয় স্বার্ণকার নিতাই চন্দ্র পাল (৪৫) আটক করে থানায় নিয়ে আছে।

  • Advertisement

ঘটনার বিষয়ে আজ সন্ধ্যায় শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মো. মিনহাজ উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, দোষীদের গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করলে বিজ্ঞ আদালত তাদের কারাগারে পাঠায়।