ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বিশেষ প্রতিনিধি,শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ || জ্যৈষ্ঠ ২৩ ১৪৩৩ || ২০ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের সংযোগ তার চুরির মামলায় সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র (২৬) ও ভাঙারি ব্যবসায়ী রিজাকুল ইসলামের (৩২) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
-
Advertisement

-
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৩১৫২৫১১৪৫
আজ শুক্রবার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) এসআই ইনজামুল হক। শুনানি শেষে আদালত দুই আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে এদিন আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
এ ঘটনায় বিটিসিএলের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজিদ হায়দার বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, সচিবালয়ের পুরোনো এক নম্বর ভবন থেকে নতুন এক নম্বর ভবন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগের কপার কেব্ল ছিল। এই কেব্লের মাধ্যমেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের লাল টেলিফোন নম্বরসহ অন্য গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন সংযোগ সচল রাখা হয়েছিল। ‘দুর্বৃত্তরা’ ভবনের ছাদে কপার কেব্ল কেটে ফেলায় লাল টেলিফোন নম্বরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ে আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন, ২২ মে তিনি এ তামার তার চুরি করেন। পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট আট কেজি ২০০ গ্রাম তার বিক্রি করেন।
-
Advertisement

রঞ্জন চন্দ্রের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি দল অভিযান চালিয়ে একুশে হল-সংলগ্ন ভাঙারি দোকান থেকে রিজাকুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে চকবাজার থানার হোসেনি দালান রোড এলাকায় অবস্থিত একটি ভাঙারি গুদাম থেকে চুরি হওয়া তারগুলো উদ্ধার করা হয়।



