ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,তথ্য প্রযুক্তি প্রতিনিধি,রোববার ৩১ মে ২০২৬ || জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪৩৩ || ১৪ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :
ভিডিও কনটেন্টে বাস্তব আর কৃত্রিম দুইয়ের পার্থক্য করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বড় পরিবর্তন আনছে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে ইউটিউব নিজেই এআই জেনারেটেড ভিডিও শনাক্ত করে সেগুলোতে লেবেল যুক্ত করবে। পাশাপাশি এই লেবেল আরও বেশি দৃশ্যমান ও স্পষ্টভাবে দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে দর্শক সহজেই বুঝতে পারে কোন কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি।
-
Advertisement
-
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
ইউটিউব জানিয়েছে, তারা এমন নতুন অভ্যন্তরীণ সিগন্যাল ব্যবহার করবে যা “ফটো-রিয়ালিস্টিক” বা বাস্তবের মতো দেখতে এআই কনটেন্ট শনাক্ত করতে সক্ষম। ফলে কোনও ক্রিয়েটর যদি এআই ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি করেন কিন্তু তা প্রকাশ না করেন, তখনও সিস্টেম নিজে থেকেই লেবেল বসিয়ে দেবে। নতুন আপডেটে এআই লেবেলের অবস্থানও বদলানো হচ্ছে। বড় ভিডিওতে লেবেল থাকবে ভিডিও প্লেয়ারের নিচে। শর্টস ভিডিওতে এটি ভিডিওর ওপরেই দেখা যাবে। এর ফলে দর্শকদের চোখে লেবেলটি আরও সহজে পড়বে।
আগেও ইউটিউবে এআই ব্যবহার সম্পর্কে জানানো বাধ্যতামূলক ছিল, যা ২০২৪ সাল থেকে চালু রয়েছে। তবে নতুন নিয়মে এটি আরও কঠোর হচ্ছে। কেউ যদি নিয়মিতভাবে এআই ব্যবহার গোপন করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে যেমন ভিডিও মুছে ফেলা বা মনিটাইজেশন বন্ধ করা
ইউটিউব জানিয়েছে, কোনও ভিডিও ভুলভাবে এআই হিসেবে চিহ্নিত হলে ক্রিয়েটররা ইউটিউব স্টুডিও থেকে তা আপডেট করতে পারবেন। তবে ইউটিউবের নিজস্ব এআই টুল বা বিশেষ মেটাডেটা ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্ট হলে সেই লেবেল পরিবর্তন করা যাবে না।
-
Advertisement

বাস্তব মানুষের মুখ বা পরিচয় ব্যবহার করে তৈরি ডিপফেক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণেও আরও কঠোর হয়েছে ইউটিউব। আগের বছর থেকে তারা লাইকনেস ডিটেকশন ও রিমুভাল ফিচার চালু করেছে, যা ধীরে ধীরে সেলিব্রিটি ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ ডিজিটাল কনটেন্টে স্বচ্ছতা বাড়াবে এবং দর্শকদের জন্য বাস্তব ও কৃত্রিম ভিডিও আলাদা করা অনেক সহজ করে দেবে।
সূত্র: পিসিম্যাক



