ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,মঙ্গলবার ০৫ মে ২০২৬ || বৈশাখ ২২ ১৪৩৩ || ১৭ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সোমবার (৪ মে) পারস্য উপসাগরে নতুন হামলা শুরু করেছে, যা একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে আরও নড়বড়ে করে দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রণালীটিতে আটকে পড়া বিদেশি ট্যাংকার ও অন্যান্য জাহাজগুলোকে বের করে আনার জন্য নতুন করে প্রচেষ্টা শুরু করার পরেই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের নতুন হামলা শুরু হয়।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে তার নতুন প্রচেষ্টা, যার নাম তিনি দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’, সে সম্পর্কে খুব সামান্যই জানান। এই প্রকল্পের মাধ্যমে, প্রণালীটিতে আটকে পড়া নিরপেক্ষ বিদেশি জাহাজগুলোকে যাতায়াতে সাহায্য করবে বলেও জানান ট্রাম্প।
তবে, যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তারা বলেছে, হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পরিকল্পনা বা হস্তক্ষেপ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে ধরে নেয়া হবে। ইরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজে যুক্তরাষ্ট্র কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পারবে না বলেও জানায় ইরান।
এই প্রণালীটি জ্বালানি বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ পথ, যা ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা শুরু করার পর থেকে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এই যুদ্ধে অঞ্চলজুড়ে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
সোমবার শেষ হওয়ার আগেই উপসাগরে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া যায়, যুক্তরাষ্ট্র জানায় যে তারা ইরানের ছয়টি ছোট সামরিক নৌকা ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি তেল বন্দরে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আগুন ধরিয়ে দেয়ার খবর পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীতে সাতটি ইরানি ‘দ্রুতগামী নৌকা’র ওপর হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং দক্ষিণ কোরিয়া উভয়ই এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীতে জাহাজে হামলার খবর দিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত আরও জানিয়েছে, ইরানের এক হামলার পর ফুজাইরাহর তেল বন্দরে আগুন লেগে যায়।
Advertisement

গত মাসে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি জাহাজ চলাচলের পথটি, অবরোধমুক্ত করার জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এটিই ছিল সামরিক শক্তি ব্যবহারের বড় প্রচেষ্টা।
সূত্র: রয়টার্স

ফুজাইরাহ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৃহত্তম বন্দর এবং তেল সংরক্ষণাগার। ছবি: সংগৃহীত


