ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল ২০২৬ || বৈশাখ ৩ ১৪৩৩ || ২৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘রিল’ তৈরির নেশায় আরও একটি তরতাজা প্রাণ নিভে গেল। ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প শহর গাজিয়াবাদের এনএইচ-৯ (NH-9) হাইওয়েতে একটি স্পোর্টস মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে প্রাণ গেল লেডি বাইকার ইকরার। গত ১২ এপ্রিল ভোরে ঘটেছে দুর্ঘটনাটি। মৃত্যুকালে তরুণীর বয়স হয়েছিল মাত্র ১৯ বছর।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
সংবাদমাধ্যম দ্য ইকনোমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১২ এপ্রিল ভোরে ওয়েভ সিটি থানা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার একটি ভিডিও এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দুর্ঘটনায় তরুণী বাইকার ইকরার পেছনে বসে থাকা তার বন্ধু হাশিম গুরুতর আহত হয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইকরা একটি ইয়ামাহা R-15 মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। এ সময় তার পেছনেই বসা ছিলেন বন্ধু হাশিম। ভিডিওতে দেখা গেছে, মোটরসাইকেল চালানোর সময় তাদের কারও মাথায় হেলমেট ছিল না।
তদন্তে দেখা গেছে, মোটরসাইকেল চালানোর সময় তারা কনটেন্ট তৈরির জন্য শুট করছিলেন। ইকরা খুব দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং তা সরাসরি ডিভাইডারে আছড়ে পড়ে। পেছনে বসে থাকা হাশিমের ফোন থেকে পাওয়া ৩০ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার ঠিক কয়েক সেকেন্ড আগ পর্যন্ত ভিডিও রেকর্ড করছিলেন তিনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইকরা ও হাশিম তাদের পরিবারকে না জানিয়েই বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। হাশিমের বাবা জানিয়েছেন, তার ছেলে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হওয়ার পর তিনি জানতে পারেন, পাড়ার একটি মেয়ের সঙ্গে আছে তার ছেলে। ফোনে যোগাযোগ করলে ছেলে জানায়, তারা বাইরে ঘুরতে গেছে এবং শিগগিরই ফিরে আসবে। কিন্তু পরে তাদের দুর্ঘটনার খবর আসে।
এ ঘটনায় ওয়েভ সিটির সিপি প্রিয়শ্রী পাল জানিয়েছেন, গত ১২ এপ্রিল ভোর ৪টা ২৫ মিনিটের দিকে মিসলগড়ি আন্ডারপাসের কাছে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার খবর আসে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা ইকরাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর হাশিমের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক এবং বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
Advertisement

এসিপি আরও জানায়, আগের দিন বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না তাদের। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। এরপরও পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।



