ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,সোমবার ২৩ মার্চ ২০২৬ || চৈত্র ১০ ১৪৩২ || ৩ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :
যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে গাজা যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভের সময় আটক হওয়া এক ফিলিস্তিনি নারী এক বছর পর মুক্তি পেয়েছেন। তাকে টেক্সাসে অভিবাসন হেফাজতে রাখা হয়েছিল। ভুক্তভোগী লেকা করদিয়ার আইনজীবীরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের এপ্রিলে নিউইয়র্ক সিটির বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে গ্রেপ্তার হওয়া শতাধিক বিক্ষোভকারীর মধ্যে ছিলেন লেকা। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে ২০২৫ সালের মার্চে নিয়মিত ইমিগ্রেশন চেক-ইনের সময় তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানায়, স্টুডেন্ট ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন লেকা। সংস্থাটির দাবি, ২০২২ সালে ‘ক্লাসে অনুপস্থিতির কারণে’ তার ভিসা বাতিল করা হয়েছিল।
এদিকে তিনি বিদেশে যে অর্থ পাঠিয়েছিলেন তা নিয়েও ফেডারেল কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেন। করদিয়া দাবি করেন, সেই অর্থ তার পরিবারের জন্য পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি।
সোমবার (২৩ মার্চ) ডালাসের নিকটবর্তী একটি ডিটেনশন সেন্টার থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি কী বলব বুঝতে পারছি না। আমি মুক্ত! আমি মুক্ত! অবশেষে, এক বছর পর।’
ডিএইচএস অভিযোগ করেছে, করদিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধী রাষ্ট্রগুলোতে বসবাসরত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। তবে তার এক চাচাতো ভাই সিবিএসকে জানান, তিনি বিদেশে শুধু আত্মীয়স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়েছিলেন।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, এক অভিবাসন বিচারক করদিয়ার বক্তব্যের পক্ষে ‘শক্তিশালী প্রমাণ’ পেয়েছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) তার তৃতীয় জামিন শুনানিতে ওই বিচারক সরকারের যুক্তিকে ‘অসৎ’ বলে আখ্যা দিয়ে ১ লাখ ডলার (প্রায় ৭৫ হাজার পাউন্ড) জামিনে তাকে মুক্তির নির্দেশ দেন।
সূত্র: বিবিসি



