ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,কুষ্টিয়ার দৌলতপুর প্রতিনিধি, বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ || ফাল্গুন ১২ ১৪৩২ || ৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ডাকাতির সময় শিশুর গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে এক গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পরে ডাকাতরা ঘরে থাকা স্বর্ণালংকারসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো এ সংবাদ প্রকাশ করে।
এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের কায়ামারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পরে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রথম দিকে মামলা করতে ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরুৎসাহিত করা হলেও এক সপ্তাহ পর সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) গৃহবধূ ও তার শ্বশুর দৌলতপুর থানায় দু’টি আলাদা মামলা করেন। এরপরই বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নজরে আসে। এ ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই রাতে স্থানীয় রুশুল মহলদারের ছেলে লাবু (৩৬), একই এলাকার তারিখ (৪২) ও সুবেলের (৩৫) নেতৃত্বে সাত থেকে আটজনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল প্রথমে পাশের আব্দুর রাজ্জাক কলেজপাড়া গ্রামের জহুরুল ইসলামের বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে।
ফেরার পথে তারা ভুক্তভোগীর বাড়িতে ঢুকে তিন বছরের শিশুর গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গৃহবধূকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর তারা ঘরে থাকা স্বর্ণালংকারসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
পরিবারের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে গৃহবধূকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দৌলতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় গৃহবধূ ও তার শ্বশুর বাদী হয়ে পৃথক দু’টি মামলা করেন। ওই রাতেই দৌলতপুর থানার পুলিশ লাবু, সুবেল ও তারিখকে গ্রেফতার করে। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কেউই রক্ষা পাবে না। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



