ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,ফরিদপুর প্রতিনিধি, মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ || মাঘ ২০ ১৪৩২ :
ফরিদপুরে চাঁদা না পেয়ে মাসুদুর রহমান লিমন নামের এক যুবদল নেতার নেতৃত্বে ১৬টি থ্রি-হুইলার গাড়ি ভাঙচুরের দাবি করেছেন চালকেরা। এ ছাড়া বাধা দেওয়ায় মারধর করা হয়েছে বলে তাঁরা জানান। এ ঘটনায় আহত ৬ চালককে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার ভাঙ্গার রাস্তার মোড়-সংলগ্ন এলাকায় মাহিন্দ্রাস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটেছে।
এই স্ট্যান্ড থেকে জেলা সদরের শিবরামপুর ও ধুলদি এলাকায় যানবাহনগুলো চলাচল করে থাকে। সম্প্রতি এর পাশেই অস্থায়ীভাবে আরেকটি মাহিন্দ্রাস্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। যেখান থেকে সালথায় উপজেলায় চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত চালকেরা জানান, জেলা যুবদলের সহসভাপতি মাসুদুর রহমান লিমন মুন্সি স্ট্যান্ড দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন এবং গাড়িপ্রতি জোরপূর্বক ৫০ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। পাশাপাশি যুবদল নেতা লিমনের অধীনে থাকা শাহিন হাওলাদার ও মিন্টু নামের দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্ট্যান্ড থেকে গাড়িপ্রতি ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা টাকা তুলে গাড়ি চলাচলের সুযোগ করে দিয়ে আসছেন। এতে বাধা দেওয়ায় ৪০-৫০ জনের দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। স্ট্যান্ডে রাখা সবগুলো গাড়ি লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় সেখানে থাকা শ্রমিকদের মারধর করা হয়।

শ্রমিকেরা বলেন, ‘চাঁদা না দেওয়ায় আমাদের আওয়ামী লীগের দোসর বলে বিভিন্ন সময় মারধর ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে শাহিন। সে আমাদের বলে আসছে, তোরা আওয়ামী লীগের দোসর, তোরা স্ট্যান্ডে থাকতে পারবি না। এখন আওয়ামী লীগ নেই, আমরা খাব।’
জেলা মাহিন্দ্রা শ্রমিক ইউনিয়নের সড়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী বাবু মোল্লা জানান, ‘গত বছরের ৫ আগস্টের পর জেলা যুবদলের সহসভাপতি মাসুদুর রহমান লিমন ভাঙ্গা রাস্তার মোড় এলাকার পরিবহনগুলোয় চাঁদাবাজি করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় মোড় এলাকার মাহিন্দ্রা পরিবহনগুলোয় চাঁদাবাজি করতে এলে শ্রমিকেরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লিমনের সহযোগী শাহিন ও মিন্টু তাঁদের সমর্থিত ৪০-৫০ জনকে নিয়ে আচমকা হামলা করে। আমরা মামলা করার জন্য সাংগঠনিক আলোচনা করতেছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা যুবদলের সহসভাপতি মাসুদুর রহমান লিমন মুন্সি বলেন, ‘আমাকে রাজনৈতিকভাবে কালিমা লেপন করার জন্য জড়ানো হচ্ছে। এটা শিবরামপুর ও সালথার শ্রমিকদের কোন্দল। আমরা শ্রমিক পলিটিকস (রাজনীতি) করি না, বিধায় তাঁদের ভেজালে জড়ানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এখানে আওয়ামী লীগের দোসররা আমাদের জড়ানোর চেষ্টা করতেছে।’
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

বিষয়টি নিয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কমকে বলেন, ‘থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। তা ছাড়া অন্য একটি কাজে থাকায় বিষয়টি সম্পর্কে এখনো আমার জানা নেই।’

ভাঙচুর করা গাড়ি। ছবি: ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম


