মামলায় অভিযোগ ‘বিমানের এমডির বাসায় মারধরের পাশাপাশি শিশু গৃহকর্মীকে খুন্তি গরম করে ছেঁকা দিতো’

SHARE

বিমানের এমডি ড. সাফিকুর ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ / সংগৃহীত

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.ম,বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস  প্রতিনিধি,মঙ্গলবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২০ ১৪৩২ :

১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় স্ত্রী বিথীসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. সাফিকুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় মেয়েটি তার বাবাকে জানিয়েছে, তাকে ‘মারধর করার পাশাপাশি খুন্তি গরম করে শরীরে ছেঁকাও’ দেওয়া হতো।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এরপর তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি শেষে জামিন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ মামলার অপর দুই আসামি হলেন— ড. সাফিকুর রহমানের বাসার বাকি দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন এবং মোছা. সুফিয়া বেগম। তাদেরও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে রাজধানীর উত্তরা–৯ নম্বর সেক্টর এলাকার নিজ বাসা থেকে ড. সাফিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সাফিকুর রহমানের বাসায় ১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীর কাজ করে। ওই গৃহকর্মীকে দীর্ঘদিন ধরে মারধর করে আসছিলেন তিনি। ওই শিশুর পরিবার থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

 

শিশুটিকে নির্যাতনের ঘটনায় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) তার হোটেল কর্মচারী বাবা গোলাম মোস্তফা মামলা দায়ের করেন। সেখানে বলা হয়, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরে সাফিকুর রহমানের বাসা। ওই বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর বাচ্চা দেখাশোনার জন্য অল্প বয়সী মেয়ে খুঁজছিলেন। পরে গোলাম মোস্তফার সঙ্গে তার দেখা হয়। বিয়েসহ যাবতীয় খরচ বহন করার প্রতিশ্রুতি পেয়ে মোস্তফা গত বছরের জুন মাসে মেয়েকে ওই বাসায় কাজে পাঠান।

null

সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় গিয়ে মেয়েকে দেখে আসেন তিনি। এরপর আর মেয়েটিকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। পরে ৩১ জানুয়ারি এমডির স্ত্রী বীথি ফোন করে মোস্তফাকে জানান, তার মেয়ে অসুস্থ। তাকে যেন নিয়ে যাওয়া হয়। তার কথা অনুযায়ী, মেয়েকে আনতে যান গোলাম মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোলাম মোস্তফার কাছে মেয়েটিকে বুঝিয়ে দেন বীথি।

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

মামলার বাদী মোস্তফা অভিযোগে জানান, ওই বাসা থেকে মেয়েকে নিয়ে আসার সময়ই মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম দেখতে পান তিনি। মেয়েটি তখন ভালোভাবে কথাও বলতে পারছিল না। এ অবস্থার কারণ জানতে চাইলে বীথি সদুত্তর দিতে পারেননি। এরপর মেয়েকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। মেয়েটি তখন তার বাবাকে জানায়, ওই বাসায় বিভিন্ন সময়ে তাকে নির্যাতন করা হতো। মারধরের পাশাপাশি খুন্তি গরম করে শরীরে সেঁকাও দেওয়া হতো।