খুনের আসামি বর-কনে: বিয়ের জন্য ১৫ দিনের প্যারোলে মুক্তি

SHARE

ছবি: সংগৃহীত

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.ম,ভারতের রাজস্থান প্রতিনিধি,শনিবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ১০ ১৪৩২  :

কারাগারে পরিচয়, সেখান থেকেই প্রেম—আর শেষমেশ বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, ভারতের রাজস্থান রাজ্যে এমনই এক ঘটনায় শোরগোল পড়ে গেছে। খুনের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন প্রিয়া শেঠ ও হনুমান প্রসাদ। তারা বিয়ের জন্য আদালতের কাছ থেকে ১৫ দিনের প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন।

Advertisement

এ জে সেন্টারে বিত্রুয় প্রতিনিধি আবশ্যক
__________________________
এ সি,ডিসি লাইট,বাথ ব্যাথা,চুলকানীর মলম,ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়।
বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাইকেল ও মোবাইল দেওয়া হয়, আলোচনাশাপেক্ষে।
যোগাযোগ করুন-মোবাইল : ০১৯৭৮৬২৪২০৫
মোঃ মতিউর রহমান
এ জে সেন্টার
বারদি 
বাজার,সোনারগাঁও
জেলা- নারায়নগঞ্জ

_______________________________________

 

প্রিয়া শেঠ একটি খুনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত। অন্যদিকে হনুমান প্রসাদের বিরুদ্ধে রয়েছে পাঁচটি খুনের অভিযোগ, সেখানেও তার শাস্তি যাবজ্জীবন। কারাবাসের প্রায় ছয় মাস পর দুইজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। সেই সম্পর্কই ধীরে ধীরে প্রেমে গড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করতে রাজস্থানের আদালত মানবিক বিবেচনায় দুইজনকেই ১৫ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেয়।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

 

প্রিয়া শেঠের অপরাধ
২০১৮ সালের ২ মে প্রিয়া শেঠ তার তৎকালীন প্রেমিক ও আরেক সহযোগীর সঙ্গে মিলে দুষ্যন্ত শর্মা নামের এক যুবককে হত্যা করেন। মূল পরিকল্পনা ছিল অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করা। সেই টাকা দিয়ে প্রেমিকের ঋণ শোধ করার চিন্তাও ছিল তাদের। পরিকল্পনা অনুযায়ী দুষ্যন্তের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে তাকে একটি ফ্ল্যাটে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তার বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত কোনোভাবে ৩ লাখ টাকা জোগাড় করে দেন দুষ্যন্তের বাবা। কিন্তু ভয় ছিল, ছাড়া পেলে দুষ্যন্ত পুলিশে সব বলে দিতে পারেন। সেই আশঙ্কা থেকেই তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর দ্রুত গ্রেপ্তার হন প্রিয়া ও তার সহযোগীরা, আর আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে প্রিয়া পান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

 

হনুমান প্রসাদের অপরাধ
হনুমান প্রসাদের অপরাধ আরও ভয়ঙ্কর। পাঁচটি খুনের দায়ে দণ্ডিত হন তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি তার প্রেমিকার স্বামী ও সন্তানদের হত্যা করেন। প্রেমিকা বয়সে বড় ছিলেন এবং একজন খেলোয়াড়। ২০১৭ সালের ২ অক্টোবর রাতে প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে হনুমান এক সহযোগীকে নিয়ে তার বাড়িতে যান। প্রথমে প্রেমিকার স্বামীকে হত্যা করা হয়। সেই সময় সন্তানরা জেগে উঠলে তাদেরও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ড গোটা এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

এমন ভয়াবহ অতীত সত্ত্বেও কারাগারের ভেতরে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক এবং বিয়ের জন্য আদালতের প্যারোলে মুক্তি—সব মিলিয়ে ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও চাঞ্চল্য।