‘পঁচাত্তর থেকে শিক্ষা নিলে চব্বিশে আ. লীগের করুণ পরিণতি হতো না’

SHARE

ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম (টিভি),বাংলা একাডেমি প্রতিনিধি,শনিবার   ০৪ জানুয়ারি ২০২৫ ||  পৌষ  ২০ ১৪৩১ :

‘৭৫-এর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিলে ‘২৪-এ এসে আওয়ামী লীগের করুণ পরিণতি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।

Advertisement

শনিবার (৪ জানুয়ারি) এফডিসিতে ‘জুলাই হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরাজয়ের চেয়ে সামাজিক পরাজয় বেশী হয়েছে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজন সংস্থা ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। সংস্থাটির পক্ষ থকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, জুলাই হত্যাকান্ডের দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না। কোন হত্যাকান্ডই প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া হয়নি।

Advertisement

আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমত পোষণকারীদের নির্মমভাবে দমন করা হতো। তারা গুম, হত্যা, টর্চার সেল ও আয়নাঘরের মতো নির্যাতন কেন্দ্র করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। ‘৭৫-এর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিলে ‘২৪-এ এসে আওয়ামী লীগের এই করুন পরিণতি হতো না।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি ধাপে ধাপে দূষিত হয়েছে। ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগ বিচার ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করে দলীয় বিবেচনায় বিচারকদের নিয়োগ দিয়েছে। হাইকোর্ট ডিভিশন ও সুপ্রিমকোর্ট থেকে যে সব রাজনৈতিক মামলার রায় হয়েছে সে সব রায়ের প্রতি মানুষের আস্থা ছিল না। ফলে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা কমে যায়।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে গেলেও রেখে গেছে হত্যাযজ্ঞের নির্মম চিহ্ন। রক্তে আঁকা এই ইতিহাস দেশের সবচেয়ে বড় কালো দাগ। এই গণহত্যার দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না। জুলাই বিপ্লবে শহীদরা জাতীয় বীর হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে। শেখ হাসিনা ও তার পরিবার-পরিজনসহ বেশিরভাগ নেতাকর্মী গণহত্যা চালিয়ে পালিয়ে যাবার পর ছন্নছাড়া হয়ে গেছে আওয়ামী লীগ নামক দলটি।

Advertisement

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছায়া সংসদে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজির বিতার্কিকদের পরাজিত করে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।